• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৬ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
“ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ ড্রাম ট্রাকের পেছনে যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ সৈয়দপুরে চিপস কারখানার ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নীলফামারীতে ছাই ছড়িয়ে পরিবেশ দূষণের দায়ে অটো রাইস মিলের জরিমানা রাশিয়ার যুদ্ধে বাংলাদেশিসহ ২৯ দেশের নাগরিকদের পাচার সৈয়দপুর আর্মি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূঁজি বাজারে বিনিয়োগ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর স্কুল শিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

জলঢাকার সেই রিকসা চালকের পরিবারের পাশে রাবি ভিসি

সিসি নিউজ।। পুলিশের গুলিতে নিহত রিকসা চালক আফজাল হোসেনের পরিবারকে ২ লাখ ২১ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা দিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য। ২০০৭ সালে অবৈধ সরকার বিরোধী আন্দোলন চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিহত হয় আফজাল। তিনি নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা ইউনিয়নের ঘাটেরপাড়ের তছি মামুদের ছেলে।

শুক্রবার বিকেলে নিহতের গ্রামের বাড়িতে টাকার চেক হস্তান্তর উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক এবং বঙ্গবন্ধু পরিষদ রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান। ভার্চুয়ালী প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সাব্বির সাত্তার তাপু। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন নীলফামারী-০৩ আসনের সংসদ সদস্য ও জলঢাকা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক তাপু বলেন, সে সময়ে সেনা সমর্থীত তত্বাবধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারাদেশে আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলন চলাকালে আহত একজনকে রিকসাযোগে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করে দিয়ে ফেরার পথে পুলিশের গুলিতে মারা যান আফজাল। সে সময়ের আন্দোলনে আমিও পুলিশের হামলা-মামলার শিকার হয়েছি। সাথে ছিলেন সে সময়ের ছাত্রলীগ নেতা বর্তমানে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতা মশিউর রহমান। আমরা রিকসা চালক আফজালকে স্মরণীয় করে রাখতে সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এ সময় আফজালের ছোট মেয়ে পারুল বেগমকে তাঁর যোগ্যতা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকুরী দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন উপাচার্য।

সহকারী অধ্যাপক মশিউর রহমান বলেন, আফজালের লাশ কয়েকদিন পরে আমরা পাই। দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। আফজালের লাশ আমি নিজেই নিয়ে আসি তার বাড়িতে। এই দৃশ্য ভুলি নাই। ঘটনার পর থেকে যতটুকু পেরেছি ওই পরিবারের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। সে সময়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার মুক্তি আন্দোলনে কারাবরণ করতে হয়েছে তাপু স্যারকে। স্যারের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় আফজালের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আমরা চাই পরিবারটি ভালোভাবে বেঁচে থাকুক।

তার মেয়েকে চাকুরী দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়ায় উপাচার্য স্যারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা তিনি জানান, আফজালের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। তিনি নিহত আফজালের পরিবারকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ন প্রকল্পের জমি ও ঘর দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Comments are closed.

আর্কাইভ